Posted by: deblinaganguli | September 27, 2020

Bahon Kotha

বাহন কথা

সিংহ বলে দুগ্গা মাগো
বলছি তোমায় আজ,
সেই কোন যুগ থেকে
করছি একই কাজ।

আছে কত বাহারি যান
দারুন তাদের সাজ,
এবার মাগো ছাড়ো আমায়
করি জঙ্গলেতে রাজ।

ময়ূর ভায়া কাঁদছে
দেখ তার দুর্দশা,
যুগ যুগান্ত কার্তিক যে
তার পিঠেতেই বসা।

রকমারি বাইকে কেন
চাপছ না গো গুরু
আমি তবে পেখম মেলে
নাচতে করি শুরু।

প্যাঁকপ্যাঁকানি ঘুচেছে মোর
বলছে কেঁদে হাঁস,
কাটাচ্ছি এই জীবন খানা
হয়েই তোমার দাস।

ছাড়ো এবার মা জননী
পাখনা খানা মেলি,
মনের সুখে যাই জলেতে
করি জল কেলি।

প্যাঁচার কথা কেউ ভাবে না
লক্ষীর কি ঝোক,
সূয্যি মামা উঠল মাথায়
কেমনে মেলি চোখ?

অভাব তোমার নেই তো কিছুই
পথ কেন আগলাও?
ঘুমাই আমি মনের সুখে
বিদায় এবার দাও।

বিশালাকার বপু তোমার
মুসিক বাহন আমি,
বাগাও এবার মায়ের কাছে
গাড়ি খানা দামী।

বলছে সবাই দুহাত জুড়ে
ছুটি এবার চাই,
আনন্দেতে হেসে খেলে
ঘরে মোরা যাই।

Posted by: deblinaganguli | September 16, 2020

Notun Pala

নতুন পালা

ভাবছে অসুর, অনন্তকাল
চলছে একই পালা,
এই বারেতে বদলে দেব
মা দুগগার খেলা।

বাঙালী গুলো মহা বজ্জাত
এই তো তাদের দোষ,
ফেস্টিভাল করবে বলে
আমায় বানায় নন্দ ঘোষ।

তোরা করবি ফূর্তি বলে
আমি কুপোকাত
ত্রিশূল দিয়ে খুঁচিয়ে মারা
এটা কেমন বাত।

ত্রিশূলের খোঁচা খেয়ে
সেপ্টিকটি হলে,
আমার কথায়, পুলিশ কি আর
ভরবে তোদের জেলে?

থাক না দেখি অমন পোস এ,
বসে দিবা নিশি,
এক বেলাতেই পরবে মনে
কেষ্ট দাশের পিসি।

অসুর বলে কেউ ভাবে না
আমার দুখের কথা,
ফি বছরে চিত্রনাট্য
একই সুতোয় গাঁথা।

এবার তাই পুরো খেলাই
ঘুরিয়ে দিলাম, যানি,
তোদের সুখের ফেস্টিভাল এ,
ঢেলে দিলাম পানি।

পাঠিয়ে দিলাম করোনাশুর,
ঘরেই বসে থাক,
মোচ্ছব থাক শিকেয় তোলা
বাজবে না আর ঢাক।

উৎসবের মাথায় বারি
ফূর্তি নিপাত যাক,
ডি লা গ্রান্ডি মেফিস্টফিলিক্স
ইয়াক ইয়াক।

একটা বছর রেস্টে থাকি
আসছি না ভাই আর,
মনের মাঝের অসুর টাকেই
এবার নাহয় মার।

Posted by: deblinaganguli | September 12, 2020

Sorbong Shaha

 

সর্বংসহা

প্রতিবাদ? সেটা আবার কি?
আমি আদর্শ নারী।
আছি সর্বংসহা হয়ে,
মুখ কি খুলতে পারি?

যতই উঠুক ঝড়
মুখে কুলুপ আঁটা,
বয়েই গেছে হতে আমার
কারোর পথের কাঁটা।

বছর গেলে দামী শাড়ি
গয়না গাটি পাই,
দিব্বি আছি পুতুল সেজে
আর বল কি চাই?

সবাই বলে লক্ষীমন্ত
সাত চড়ে রা নেই,
সব হুকুমই মানছে কেমন
হাসি মুখেতেই।

রান্না ঘরে মাস্টার শেফ
নির্জনতায় উর্বশী,
সংসার খানা আগলে রাখায়
লক্ষীরূপা পূর্ন শশী।

এত গুলো পাট করা
সহজ নয় মোটেই,
ক্লান্তি ভুলে শক্ত হাল
ধরেছি একজোটেই।

তবু কেন মনে হয়
যদি ছুটি পেতাম,
মনের মাঝে ডুব দিয়ে
ইচ্ছেপুরে যেতাম।

পটের বিবি সেজে থাকার
থাকতো না আর কারণ,
স্বপ্ন গুলো কুড়িয়ে নিতাম
করতো না কেউ বারণ।

আকাশ কুসুম গল্পকথা
ভাবতে কি আর পারি?
এমন স্বপ্ন দেখাও পাপ,
আমি আদর্শ নারী।

Posted by: deblinaganguli | September 10, 2020

Devi

 

Devi durga nari

দেবী

প্যান্ডেলের দুর্গা দেখতে
ভীড় যে থৈ থৈ,
ঘরের দুর্গা কোনায় পরে
দেখার সময় কৈ?

মাটির মূর্তি সাজিয়ে মোরা
মাতছি পূজার খেলায়,
মাটির ঘরে জীবন্ত মা
রয়েছে অবহেলায়।

দশ হাতে দশ অস্ত্র নিয়ে
সেই তো তোমার সাজ,
ঘরের দুর্গা? নিছক বেকার,
কি বা আছে কাজ?

করছি তোমার জয়ধ্বনি,
ধূপে, ধুনায়, শাঁখে,
ঘরের দুর্গা সবজি কাটে
তার খেয়াল কে রাখে?

কে যে আসল অন্নপূর্ণা
কেই বা দেখছে ভেবে?
তবু আশায় বাঁধি মন,
একদিন চিনে নেবে।

সিংহবাহিনী অস্ত্র শানায়,
দশ দিকে দশ হাত,
দুর্গা কিন্তু সব খানেতেই
করতে জানে মাত।

সন্তানকে আগলে রাখে
পরম স্নেহ ভরে,
বুকের মাঝে জড়িয়ে ধরে
সাজায় যতন করে।

চন্ডী পাঠের মন্ত্রে শুধু
ভুলছি না আর আমি,
মনে রেখো শিক্ষা যে আজ
আমার কাছেও দামী।

সিংহ বাহন সাথে আছে
চিন্তা তোমার নেই,
ঘরের দুর্গা চলছে দেখ
নিজের চেষ্টাতেই।

তোমাদের ওই জাঁকজমক
আজ ঠেকছে বড্ড মেকি,
প্রতিভাময়ী মানবী কেই
চোখ মেলে তাই দেখি।

ঝুটো তোমার পৃথিবীতে
নাই বা হল ঠাঁই,
আমার আছে আপন জগৎ
দুঃখ কিছুই নাই।

বিদায় এবার দিয়েই দেখ
মনের অন্ধকূপ,
জেনো তবেই দেখতে পাবে
দেবীর আসল রূপ।

Posted by: deblinaganguli | June 11, 2020

Brishti Rani

বৃষ্টি রানী

বৃষ্টি পরে টাপুর টুপুর,
পাতায় পাতায় বাজছে নুপুর।

ঢাকলো মেঘে আকাশ খানা,
ঘর থেকে আজ বেরোনো মানা।

স্নিগ্ধ সবুজ পাতার পরে,
মুক্তা গুলি পড়ছে ঝরে।

অঝোর প্লাবন শ্রাবন ধারা,
মাটির ডাকে দিলো সারা।

গহন মেঘে আঁধার ঘনায়,
ভরলো নদী কানায় কানায়।

নীরদ আপন ডোমরু বাজায়,
নতুন প্রাণের আরতি সাজায়।

ঘুচিয়ে তাপ ঘুচিয়ে জ্বালা,
প্রকৃতির আজ সাজার পালা।

শ্যামল বরণ নতুন বেশ,
সিক্ত সঘন এলো কেশ।

বাজছে কাঁকন রিনি রিনি,
মন কেড়েছে নুপুর ধ্বনি।

সজল তোমার আঁচল ছায়ায়,
পূর্ণ এ প্রাণ, প্রাণের মায়ায়।

Posted by: deblinaganguli | April 23, 2020

Korona Bibhrat

কোরোনা বিভ্রাট

ওহে ভাই কোরোনা
এ যে কি বিড়ম্বনা!
চেয়ে দেখি মুখপানে
নেই কথা কানে কানে।
হাত খানা ধরো নাকো
ঘর থেকে নোরো নাকো।
বাঙ্গালীর একি জ্বালা
মিষ্টির দোকানে তালা?
বলবো কি রে ভাই
দুঃখের সীমা নাই।
দোকানের ভারের চা?
বেজে গেছে বারোটা।
সাধের আড্ডাখানা
সেখানেও যেতে মানা।
দিন আসে দিন যায়
শুধু খবরের আশায়।
তোমার প্রকোপ ভায়া
এ যেন অনন্ত মায়া।
চড়িয়া অজেও রথে
ঘুড়িতেছো পথে পথে।
কিন্তু হে মহামারী
ছেড়েছ কি দেশ বাড়ি?
এবারটি দয়া করে
যাও হে নিজের ঘরে।
দাও গো রেহাই
জীবনের মূলস্রোতে
ফিরে মোরা যাই।

Posted by: deblinaganguli | April 23, 2020

Protishruti

প্রতিশ্রুতি

আমার ভালোবাসা বন্ধু শৃঙ্খল নয়,
আমার পূজা সে তো অমর অক্ষয়।
প্রেম মোর শুধু বন্ধু মুক্তির গান গায়,
হাতের মুঠোয় তারে ধরে রাখা দায়।
আলো আধারী পথে খুঁজো না আমায়,
চোখ মেলে দেখ আছি চোখের তারায়।
গহন মনের কোণে তোমার চেতনায়,
লুকিয়ে আছি বন্ধু আমি তোমার হিয়ায়।
কখনো দু চোখ যদি আমায় হারায়,
দেখবে রয়েছি আমি পথের ধুলায়।
আকাশের মেঘে আর ঢেউযের দোলায়,
ভোরের ঘাসের স্নিগ্ধ শিশির কণায়।
সঘন সজল করুন বৃষ্টি ধারায়,
শ্যামল শোভন সুন্দর নবীন পাতায়।
অন্তরে চেয়ে দেখ পরান কি চায়,
হাত দুটি ধরো শুধু দুহাত বারায়।
বুকেতে ভরসা রেখো, মনেতে প্রত্যয়,
প্রাণ পাবে মৃন্ময়ী তোমার ছোঁয়ায়।
পেরিয়ে সব বাঁধা, ভুলে সব দায়,
যাবো নিরুদ্দেশে মোরা সীমানা ছাড়ায়।

Posted by: deblinaganguli | April 13, 2020

Ichchedana

 

ইচ্ছেডানা

মনের কোনে লুকিয়ে ছিল
অনেক ইচ্ছেডানা,
ধুলোর স্তর জমেছে এত
যায়না তাদের চেনা।

স্বাদ আলহাদ ছিল যত সব
করছে সবাই দাবী,
খুঁজে এনে দাও হারিয়ে যাওয়া
সেই পুরোনো চাবি।

ব্যাস্ত জীবন, ক্লান্ত শরীর
সকল অজুহাত,
এখন বুঝি হয়েছে সময়
দিতে এদের মাত।

খানিক সময় হলেই নাহয়
শুধুই গৃহবাসী,
ইচ্ছেগুলো মেলুক ডানা
ফোটাক মুখে হাসি।

Posted by: deblinaganguli | March 30, 2020

Memories – The Curious Mind

Isn’t it a common human trend to be attracted to bright, colourful things? Especially, if the human being is just a 4 year old girl, it’s pretty evident that she would like to find out what those vibrant things are. Imagine what a kid could think of, when she sees multi-coloured ball like things smaller than a coin. Probably poppins or gems. When children of this age get such lucrative thing infront of them can they resist their temptation to have it?

If the answer is no, then certainly I was not at fault to try the colourful substance securely kept inside a nano glass container. It was even more fun because no adult was around when I found the small bottle on the bedside table in my granny’s room. Everyone was busy as it was my aunt’s wedding day. All the grownups were engaged in some or the other work. So, my cousin Ananya and I were free birds enjoying ourselves.

While playing, suddenly this bottle full of colourful things caught my eyes and considering them to be something similar to gems, I had a handful of them. When Ananya saw this, she was a little doubtful. Unlike me she was very calm, composed and obedient. Not that I was extremely disobedient, but my curiosity has often led to troubles. This time it was no different. Suspecting something wrong, my cousin who was not my partner-in-crime this time,  rushed to call my mother.

To their utter shock the elders discovered that what I had were the sleeping pills of my granny. Immediately, I was made to vomit and my life was saved somehow. But, I was quite angry at Ananya and sad about the fact that I couldn’t enjoy having the pills. It was very difficult to make me understand why such harsh action was taken to snatch away my simple pleasure.

Today when I look back, I wonder who would have told you this story had not Ananya saved me that day.

Posted by: deblinaganguli | March 29, 2020

Memories – Two Indomitable Spirits

singing

After ages I have got time to walk down the memory lane. So, here I am with another story of my childhood. This one goes to the time when I and my cousin sister Ananya were studying in primary school. I lived in Kolkata while she resided in Howrah. We used to meet in our granny’s house during Diwali Break. Those were the days of endless fun without the fear of being scolded by the elders. Why? Simple, because granny was there to rebuke them had she seen us heart-broken. Naturally our freedom and ‘masti’ (enjoyment) knew no bound.

It was during one such Diwali Break that the local club was going to organize a cultural programme. Hearing the news, we were on cloud nine. Definitely because popular artists were going to perform. But, was that the only reason? Off-course not. The real reason behind our excitement was that we thought that we would also grab the opportunity to showcase our talent. Ananya was learning to sing. Although I had no formal training in this field, I possessed high opinion about my capabilities. So, I decided to join her believed that our duets could win hearts.

Needless to say that the committee members didn’t buy our proposal at one go. At the same time they couldn’t refuse two young ‘aspiring artists’ directly and started giving various excuses. We overruled whatever was said. Finally, they told us that our performance would be incomplete as there would be no one to play an instrument with us. What they didn’t know was that we had resolved not to give up. So, we told that Ananya could play Harmonium. Another challenge was thrown at us. We were supposed to arrange the instrument ourselves.

In those days, we hardly had any ego or hesitation. So, we merrily went from one door to the other in the neighbourhood asking people if we could borrow a Harmonium. Some elders laughed at us, some made a solemn face. But as you know, “If there is a will, there is a way”. We kept trying and eventually came across a kind-hearted lady who trusted the little artists and happily lent us the instrument.

Now, the committee members had no excuse to stop us. Finally, that very cultural programme started with our song. It hardly mattered that there were a handful of audience when the show started. We were overwhelmed to get a chance to exhibit our talents and yes, no matter how small the gathering was, the spectators including the committee members did not prove to be misers when it came to applauding us and that’s how two indomitable spirits achieved their goal.

Older Posts »

Categories